বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা প্রমাণে নেইমারকে ২ মাস বেধে দিলেন আনচেলত্তি

১১ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা প্রমাণে নেইমারকে ২ মাস বেধে দিলেন আনচেলত্তি

আড়াই বছর ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা নেইমারকে বিশ্বকাপে খেলার জন্য নিজের যোগ্যতা প্রমাণে দুই মাস সময় বেধে দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

গত মাসে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচের দলে জায়গা পাননি নেইমার। তবে দীর্ঘদিন ধরেই আনচেলত্তি জানিয়ে আসছেন, ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা যদি পুরোপুরি ফিট থাকেন তাহলে তাকে অবশ্যই বিশ্বকাপ দলে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে হাঁটুর মারাত্মক চোটের পর থেকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের জার্সিতে আর নামতে পারেননি ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। গত বছর শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফেরার পর থেকেও ম্যাচ খেলতে নিয়মিত লড়াই করতে হচ্ছে এই ফরোয়ার্ডকে।

মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতিতে বোস্টনে ফ্রান্সের কাছে ২-১ গোলে হারের ম্যাচে গ্যালারি থেকে নেইমারের নাম ধরে স্লোগান দিয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা। সে সময় এই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি আনচেলত্তি।

ফরাসি সংবাদপত্র লেকিপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, নেইমার এখনও তার বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় আছেন।

সে এক বিশাল প্রতিভা। এটা স্বাভাবিক যে মানুষ মনে করে সে আমাদের পরবর্তী বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করতে পারে।

বর্তমানে সিবিএফ (ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন) ও আমি তাকে মূল্যায়ন করছি। পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলার মতো যোগ্যতা তার আছে কি না, তা দেখানোর জন্য তার হাতে এখনও দুই মাস সময় রয়েছে।

বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার জন্য নেইমার সঠিক পথে আছে জানিয়ে ব্রাজিলের এই ইতালিয়ান কোচ বলেন, “হাঁটুর চোটের পর নেইমার দারুণভাবে ফিরে এসেছে; সে গোল করছে। তাকে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং তার ফিটনেস আরও উন্নত করতে হবে। সে সঠিক পথেই আছে।

ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯টি গোল করা নেইমার বর্তমানে তার ফিটনেস ফিরে পাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে বিশ্বকাপের এবারের আসর। এর আগে ৩০ মের মধ্যে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল দিতে হবে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে।

বাংলাদেশ সময় আগামী ১৪ জুন ভোর ৪টায় নিউ ইয়র্কে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ব্রাজিল। ‘সি গ্রুপে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের বাকি দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড।

মন্তব্য করুন: