৯ গোলের ম্যাচে ৬৬ বছরের রেকর্ড স্পর্শ পিএসজি-বায়ার্নের

২৯ এপ্রিল ২০২৬

৯ গোলের ম্যাচে ৬৬ বছরের রেকর্ড স্পর্শ পিএসজি-বায়ার্নের

শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে তিন গোলের ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল পিএসজি। সেখান থেকে দ্রুত জোড়া গোল করে ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তবে শেষ পর্যন্ত তা না হলেও ইতিহাসের পাতায় নাম লেখিয়েছে দু’দল। ইউরোপের ক্লাব সেরার আসরের ৬৬ বছরের পুরোনো রেকর্ড স্পর্শ করেছে তারা।

মঙ্গলবার প্যারিসে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্নকে ৫-৪ গোলে হারায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল হয় ৫টি, দ্বিতীয়ার্ধে ৪টি।

ইউরোপিয়ান ক্লাব সেরার আসরের সেমি-ফাইনালের এক লেগে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি। ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে ইউরোপিয়ান কাপের সেমি-ফাইনালের ফিরতি লেগে জার্মান ক্লাব আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টকে ৬-৩ গোলে হারিয়েছিল স্কটিশ ক্লাব রেঞ্জার্স।

আর চ্যাম্পিয়নস লিগ যুগে সেমি-ফাইনালের এক লেগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি।

২০২১ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম ইউরোপ সেরার মঞ্চে বায়ার্নকে হারাতে পারল পিএসজি। দুই দলের টানা পাঁচ ম্যাচে জয়হীন ছিল ফরাসি ক্লাবটি। সবশেষ গত নভেম্বরে লুইস এনরিকের দলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন।

এদিন পুরো ম্যাচে বল দখলে একটু পিছিয়ে থাকা পিএসজি গোলের জন্য নেওয়া ১২ শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পারে পাঁচটি। অন্যদিকে ১০ শট নেওয়া বায়ার্নের লক্ষ্যে ছিল আটটি।

ম্যাচের ১৭তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে জার্মান চ্যাম্পিয়নদের এগিয়ে দেন হ্যারি কেইন। চলতি টুর্নামেন্টে ১৩ ম্যাচে এটি তার ১৩তম গোল।

সাত মিনিট পর স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান খাভিচা কাভারাৎস্খোলিয়া। ৩৩তম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন জোয়াও নেভেস। ৪১তম মিনিটে বায়ার্নকে সমতায় ফেরান মাইকেল ওলিসে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময় পেনাল্টি থেকে উসমান দেম্বেলের গোলে আবার এগিয়ে যায় পিএসজি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দুই মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি। আশরাফ হাকিমির সহায়তায় ৫৬তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাৎস্খোলিয়া। ৫৮তম মিনিটে আরেকবার বল জালে জড়ান দেম্বেলে।

একটু পরই তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ব্যবধান কমায় বায়ার্ন। ৬৫তম মিনিটে জসুয়া কিমিখের ফ্রি-কিকে বক্সে লাফিয়ে হেডে গোল করেন উপামেকানো। ৬৮তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে কেইনের উঁচু করে বাড়ানো বল বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন লুইস দিয়াস।

৮৭তম মিনিটে বদলি নামা পিএসজির মিডফিল্ডার সেনি মায়ুলুর শট পোস্টে লাগায় ব্যবধান বাড়েনি। যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ দিকে বায়ার্নের কিমিখের হেড গোললাইন থেকে হেডে ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার উইলিয়াম পাচো।

আগামী বুধবার মিউনিখে ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন: