ফিরতি লেগে সমর্থকদের কাছে রিয়াল ম্যাচের চেয়েও বড় গর্জন চান বায়ার্ন কোচ

২৯ এপ্রিল ২০২৬

ফিরতি লেগে সমর্থকদের কাছে রিয়াল ম্যাচের চেয়েও বড় গর্জন চান বায়ার্ন কোচ

পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনালের ৯ গোলের রোমাঞ্চকর প্রথম লেগ শেষে এক গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বায়ার্ন মিউনিখ। ফাইনালে ওঠার জন্য ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে সমর্থকদের কাছে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের চেয়েও জোরালো সমর্থন চেয়েছেন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি।

মঙ্গলবার প্যারিসে সেমি-ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্নকে ৫-৪ গোলে হারায় পিএসজি। নিষেধাজ্ঞার কারণে এই ম্যাচে বায়ার্নের ডাগআউটে দাঁড়াতে পারেননি কোম্পানি। গ্যালারিতে বসে ম্যাচটি দেখতে হয় জার্মান চ্যাম্পিয়নদের কোচকে।

তার অনুপস্থিতিতে সহকারী অ্যারন ড্যাঙ্কস যখন সাইডলাইনে দলের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন, তখন প্রথমার্ধে কোম্পানিকে হাসতে ও করমর্দন করতে দেখা যায়। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তার দল ৫-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার সময় দেখে মনে হচ্ছিল তিনি পাথরের মতো বসে আছেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ব্যবধান কমায় বায়ার্ন।

নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আগামী বুধবার মিউনিখে ফিরতি লেগে আবার ডাগআউটে দাঁড়াবেন কোম্পানি। এক গোলের ব্যবধান ঘুঁচিয়ে ফাইনালে উঠতে রিয়ালের বিপক্ষে ঘরের মাঠে কোয়ার্টার-ফাইনালের জয়ের মতো এবার সমর্থকদের কাছ থেকে আরও বড় গর্জন চাইলেন এই বেলজিয়ান কোচ।

মাদ্রিদের বিপক্ষে এক ধরনের উত্তেজনা ছিল। আমাদের তার চেয়ে কম কিছু হলে চলবে না, আমাদের আরও বেশি প্রয়োজন, এবং আমি কেবল এটাই চাইতে পারি। আমি এই ধরনের একটি ম্যাচের জন্য স্টেডিয়ামে যেতাম, কিন্তু শান্ত থাকার জন্য নয়।

রিয়ালের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে এক গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে গত ১৫ এপ্রিল ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে নেমেছিল বায়ার্ন। শেষ মুহূর্তে দুই গোল করে ৪-৩ গোলের জয়ে শেষ চারে ওঠে তারা।

এই ম্যাচে হলুদ কার্ডসহ মৌসুমে মোট তিনটি হলুদ কার্ড দেখায় এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পান কোম্পানি। ফলে উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, পার্ক দে প্রিন্সেসে বায়ার্নের ডাগআউট ছাড়াও দলের ড্রেসিংরুমে ছিলেন না তিনি।

গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার প্রসঙ্গে ম্যাচ শেষে প্রাইম ভিডিওকে বায়ার্ন কোচ বলেন, “এটি মজার কিছু নয়। যদি এটি আর কখনও না ঘটে, আমি খুশি হব।

পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে এই ম্যাচটিকে তার ক্যারিয়ারের সেরা বলছেন। মাঝে মাঝে ম্যাচের কৌশলের ভালোভাবে বোঝার জন্য নিজের ইচ্ছায় গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতেন তিনি। তবে কোম্পানি গ্যালারি থেকে খেলা দেখার কোনো যৌক্তিকতা খুঁজে পাননি।

আমি জানি না কেন। আমি এমনটা করতাম না।

মন্তব্য করুন: