হার দিয়ে ম্যানসিটি অধ্যায় শেষ গুয়ার্দিওলার

হার দিয়ে ম্যানসিটি অধ্যায় শেষ গুয়ার্দিওলার

ম্যানচেস্টার সিটির কোচ হিসেবে পেপ গুয়ার্দিওলার শেষ ম্যাচে মাঠে এসেছিলেন তার সাবেক শিষ্যরাও। তবে কোচের বিদায়কে স্মরণীয় করতে পারল না বর্তমান শিষ্যরা। অ্যাস্টন ভিলার কাছে হেরে গেছে তারা। আর ম্যাচ গুয়ার্দিওলা জানিয়েছেন, ক্যাবিনেট ভর্তি শিরোপা নয়, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ও স্মৃতিই তিনি ঝুলি ভরে নিয়ে যাচ্ছেন।

রোববার প্রিমিয়ার লিগের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ইউরোপা লিগ জয়ীদের কাছে ২-১ গোলে হারে সিটি।

প্রথমার্ধে অ্যান্টোয়ান সেমেনিওর গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। কিন্তু বিরতির পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় ভিলা।

২০১৬ সালে সিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্লাবটিকে ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলেন গুয়ার্দিওলা। ১০ বছরে দলকে জেতান ২০টি বড় শিরোপা, যার মধ্যে আছে ছয়টি প্রিমিয়ার লিগ। এর মধ্যে ২০২০-২১ থেকে ২০২৩-২৪ মৌসুমে প্রথম ক্লাব হিসেবে টানা চারটি প্রিমিয়ার লিগ জয়ের রেকর্ড গড়ে তার দল।

ম্যাচ শেষে গুয়ার্দিওলা বলেন, “আমি আমার স্মৃতির ঝুলিটি যে পরিমাণ পূর্ণ করতে পেরেছি, তা অন্য কোনো দলের সাথে সম্ভব ছিল না। অবশ্যই ২০টি ট্রফি না জিতলে তারা অনেক আগেই আমাকে বরখাস্ত করত। কিন্তু দিনশেষে ঘরে ফিরে ট্রফির দিকে তাকিয়ে আমি সুখী হই না।”

“এখানে আসার পর প্রথম দিন থেকে এই শহর, বিশেষ করে ব্যাকরুম সদস্য, খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার যে বন্ধন তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।”

গুয়ার্দিওলা ছাড়াও এদিন সিটির হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নামেন দলের পর্তুগিজ মিডফিল্ডার বের্নার্দো সিলভা ও ইংলিশ ডিফেন্ডার জন স্টোনস। ৫৯তম মিনিটে সিলভা ও ৭৮তম মিনিটে স্টোনসকে তুলে নেন সিটি কোচ।

দলের সাফল্যের এই দুই কান্ডারীর কথা স্মরণ করতে গিয়ে গুয়ার্দিওলা বলেন, “আমি সাধারণত কাঁদি না, কিন্তু যখন বের্নার্দোকে কাঁদতে দেখলাম, আমিও আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। বার্নির সঙ্গে এটা একটা বিশেষ মুহূর্ত ছিল। … আর আজ জনকে ঘিরে আবেগটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

গুয়ার্দিওলার শেষ ম্যাচ উপলক্ষ্যে এদিন গ্যালারিতে ছিলেন সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফের্নান্দিনিয়ো, গোলরক্ষক এদেরসন ও মিডফিল্ডার ইলকায় গুন্দোয়ান। তাদের এবং সাবেক ও বর্তমান শিষ্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ৫৫ বছর বয়সী এই কোচ।

“খুশি যে ফের্নান্দিনিয়ো এখানে ছিল। কেবল আজকের জন্য ব্রাজিল থেকে এসেছিল, আমি এটা কখনও ভুলব না।”

মন্তব্য করুন: