দুর্দান্ত শেষ ওভারে রংপুরকে জেতালেন মুস্তাফিজ

৪ জানুয়ারি ২০২৬

দুর্দান্ত শেষ ওভারে রংপুরকে জেতালেন মুস্তাফিজ

জয়ের জন্য শেষ ওভারে ঢাকা ক্যাপিটালসের দরকার ছিল ১০ রান, হাতে ছিল ৬ উইকেট। ক্রিজে ছিলেন ফিফটি হাঁকানো অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান। কিন্তু দুর্দান্ত বোলিংয়ে তাদের সেই রানই নিতে দেননি মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসারের নৈপুণ্যে ৫ রানের জয় পেয়েছে তার দল রংপুর রাইডার্স।

রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ফিফটিতে ৫ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে রংপুর। জবাবে ৪ উইকেটে ১৫০ রানে থামে ঢাকার ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়ায় ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ঢাকা দারুণ শুরু এনে দেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও আবদুল্লাহ আল মামুন। সপ্তম ওভারে গুরবাজের (৩১) বিদায়ে এই জুটি ভাঙার পরের ওভারে ফেরেন মামুনও (২০)।

এদিন তিন নম্বরে নেমেও সুবিধা করতে ব্যর্থ হন সাইফ হাসান। ২৪ বল খেলে কোনো বাউন্ডারি ছাড়া ১৫ রান করে সাজঘরের পথ দেখেন তিনি। তখনও জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯ বলে ৪৪ রান। ৩২ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে দলকে জয়ের পথেই রাখেন মিঠুন।

শামীম হোসেনের বিদায়ের পর শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৩ রান। আফিক জাভেদের করা ১৯তম ওভারে সাব্বিরের একটি করে চার-ছক্কায় দলে খাতায় যোগ হয় ১৩ রান। এরপর শেষ ওভারে জাদু দেখান মুস্তাফিজ।

প্রথম বলে ১ রান নিয়ে সাব্বিরকে স্ট্রাইকে আনেন মিঠুন। পরের ২ বলে কোনো রান নিতে পারেননি সাব্বির। এরপর শেষ ৩ বলে দৌড়ে কেবল ৩ রান নিতে পারেন এই দুই ব্যাটার। মিঠুন ৫৬ ও সাব্বির ১২ রানে অপরাজিত থাকেন।

শেষ ওভারে মাত্র ৪ রান দেওয়া মুস্তাফিজ পুরো ৪ ওভার বোলিং করে ২৩ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। তবে ম্যাচসেরা হন ৪১ বলে ৭ চারে ৫১ রান করা মাহমুদউল্লাহ।

পাওয়ারপ্লেতে ৩০ রানের ভেতর কাইল মায়ার্স (১১), লিটন দাস (৬) ও তাওহিদ হৃদয়ের (০) উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে রংপুর। চতুর্থ উইকেটে ডাভিড মালানের সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি গড়ে দলের বিপর্যয় সামাল দেন মাহমুদউল্লাহ। ৩৩ রান করে মালান ফিরলেও ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু তাসকিন আহমেদের করা পরের বলেই সাজঘরের পথ দেখেন তিনি।

টানা দ্বিতীয় জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে রংপুর। চার ম্যাচে টানা তৃতীয় হারে পাঁচ নম্বরে আছে ঢাকা।

[বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সংযোজন করা হয়েছে।]

মন্তব্য করুন: