ঢাকাকে গুঁড়িয়ে টানা দ্বিতীয় জয় নোয়াখালীর
১১ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথম ছয় ম্যাচেই হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবার তুলে নিয়েছে টানা দ্বিতীয় জয়। ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৪১ রানে হারিয়েছে তারা।
রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে শতরানের উদ্বোধনী জুটির ওপর ভর করে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তোলে নোয়াখালী। জবাবে ১০ বল আগে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা।
এবারের আসরে সিলেটে অধিকাংশ ম্যাচে অধিনায়করা টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও এদিন আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নোয়াখালী অধিনায়ক হায়দার আলী। ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন সৌম্য সরকার ও হাসান ইসাখিল। দশম ওভারের শুরুতেই দলের খাতায় একশ রান যোগ করেন তারা। ২৫ বলে ৪৮ রান করা সৌম্যর বিদায়ে ভাঙে ১০১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
তবে এরপরের ব্যাটাররা এই দুর্দান্ত শুরু কাজে লাগাতে পারেননি। পরের ব্যাটারদের মধ্যে কেবল মোহাম্মদ নবী (১৭) দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেন। চতুর্থ উইকেটে আফগান এই অলরাউন্ডার তার ছেলে ইসাখিলের সঙ্গে গড়েন ৩০ বলে ৫৩ রানের জুটি। ম্যাচসেরা ইনিংসে ৬০ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৯২ রান করেন ইসাখিল।
লক্ষ্য তাড়ায় পেসারদের তোপে ১৯ রানের ৪ উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে ঢাকা। আসর জুড়ে ব্যর্থ সাইফ হাসান এদিন ফেরেন শূন্য রানে। ছয় ইনিংসে এই নিয়ে চতুর্থবার এক অঙ্কের ঘরে সাজঘরে ফিরলেন টি-টুয়েন্টি দলের সহ-অধিনায়ক।
পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী অর্ধশত রানের জুটি গড়ে দলের চাপ সামাল দেন। শামীমকে (২৯) ফিরিয়ে ৫৩ রানের এই জুটি ভাঙেন নবী। মিঠুনকেও (৩৩) তুলে নেন এই অফ স্পিনার।
শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ২০ বলে ৩৪ রানের ইনিংসটি কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমায়। তাকে ফিরিয়ে ১৮.২ ওভারে ঢাকা ইনিংস গুটিয়ে দেন হাসান মাহমুদ। ডানহাতি এই পেসারসহ ইহসানউল্লা, মেহেদী হাসান রানা ও নবী ২টি করে উইকেট নেন।
৮ ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার সবার শেষে আছে নোয়াখালী। সমান পয়েন্ট নিয়ে তাদের ওপরে ৭ ম্যাচ খেলা ঢাকা।















মন্তব্য করুন: