নিউ জিল্যান্ডের কাছে হেরে শ্রীলঙ্কার বিদায়
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিল না দুই দলেরই। সে লক্ষ্যে মাঝের বিপর্যয় কাটিয়ে মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককনকির শেষের ঝড়ে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছিল নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু রান তাড়ায় রাচিন রবীন্দ্রর ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে ন্যূনতম প্রতিরোধও গড়তে পারল না শ্রীলঙ্কা। সহ-আয়োজকদের বিদায় করে ৬১ রানের জয়ে সেমি-ফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখল কিউইরা।
বুধবার কলম্বোয় টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান তোলে নিউ জিল্যান্ড। জবাবে ৮ উইকেটে ১০৭ রানে থামে লঙ্কানদের ইনিংস।
ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ২৭ রানে ৪ উইকেট নেন রবীন্দ্র। ব্যাট হাতে ৩২ রান করেন ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া এই অলরাউন্ডার।
সুপার এইটে দুই নম্বর গ্রুপে দুই ম্যাচের দুটিতেই হেরে এক ম্যাচ আগেই বিদায় নিশ্চিত হলো সহ-আয়োজকদের। অন্যদিকে দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে ওঠার লড়াইয়ে টিকে রইল নিউ জিল্যান্ড। ১ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে আছে পাকিস্তান। তাদেরকে হারিয়ে এই গ্রুপ থেকে সবার আগে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।
ব্যাটিংয়ে নেমে পঞ্চম ওভারের ভেতর ৩৪ রানে দুই ওপেনারকে হারায় কিউইরা। তৃতীয় উইকেটে রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের ব্যাটে সেই ধাক্কা সামাল দেয় তারা। দশম ওভারে ফিলিপসকে (১৮) বোল্ড করে ৪১ রানের এই জুটি ভাঙেন দুশমন্ত চামিরা। এরপরই ধস নামে নিউ জিল্যান্ডের ব্যাটিং-অর্ডারে।
দলীয় ৮৪ রানে মাহিশ থিকশানা ও দুনিথ ভেল্লালাগের ঘূর্ণিতে কোনো রান যোগ করা ছাড়াই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে তারা। ধীর ব্যাটিংয়ে দলকে টেনে তুলে সেই বিপর্যয় সামাল দেন স্যান্টনার ও ম্যাককনকি। এরপর এই জুটি রূপ নেয় তাণ্ডবে। শেষ চার ওভারে চার-ছক্কার ফুলঝুড়িতে তারা দলের খাতায় যোগ করেন ৭০ রান।
ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ২৬ বলে ৪৭ রান করা অধিনায়ক স্যান্টনার। ম্যাককনকি অপরাজিত থাকেন ২৩ বলে ৩১ রানে।
লক্ষ্য তাড়ায় ম্যাট হেনরির আগুন ঝরানো বোলিংয়ে ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। পাওয়ারপ্লেতে আর কোনো উইকেট না হারালেও ৬ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ২১ রান।
নবম ওভারে বল হাতে নিয়েই জোড়া আঘাতে স্বাগতিকদের ইনিংসে ধস নামান রবীন্দ্র। বাঁহাতি এই স্পিনার নিজের পরের দুই ওভারে তুলে নেন আরও দুই উইকেট। এক প্রান্ত আগলে রেখে লঙ্কানদের আশা বাঁচিয়ে রাখা কামিন্দু মেন্ডিসকে (৩১) ফেরান স্যান্টনার। এরপর দলকে একশর আগে অলআউট হওয়ার হাত থেকে বাঁচান ভেল্লালাগে। শেষ ওভারে ২৯ রান করা বাঁহাতি এই ব্যাটারকে ফেরান ফিলিপস।















মন্তব্য করুন: