ইংল্যান্ডের রোমাঞ্চকর জয়ে অপেক্ষা বাড়ল নিউ জিল্যান্ডের
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
স্পিনারদের নৈপুণ্যে জয়ের ভালো অবস্থানেই ছিল নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু শেষ তিন ওভারে সব সমীকরণ বদলে দিলেন উইল জ্যাকস ও রিহান আহমেদ। তাদের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪ উইকেটের রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। এই হারে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিতের অপেক্ষা বেড়েছে কিউইদের।
কলম্বোয় সুপার এইটের দুই নম্বর গ্রুপের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায় নিউ জিল্যান্ড। জবাবে শেষ তিন ওভারে ৪৩ রান দরকার ছিল ইংল্যান্ডের, যা ৩ বল হাতে রেখে তাড়া করে দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এই হারে নিউ জিল্যান্ডের সেমি-ফাইনালে খেলার বিষয়টি নির্ভর করছে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের ম্যাচের ওপর। শনিবার পাল্লেকেলেতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সেই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কা জিতলে বা পরিত্যক্ত হলে শেষ চার নিশ্চিত হবে মিচেল স্যান্টনারের দলের। তবে পাকিস্তান জিতলে তখন নিউ জিল্যান্ডের সেমি-ফাইনালে ওঠা নির্ভর করবে দুই দলের নেট রানরেটের ওপর। ৩ পয়েন্ট নিয়ে কিউইদের নেট রানরেট ১.৩৯০। অন্যদিকে ১ পয়েন্ট পাওয়া পাকিস্তানের নেট রানরেট -০.৪৬১।
রাচিন রবীন্দ্রর ঘূর্ণিতে দিশেহারা ইংল্যান্ডের ১৭ ওভার শেষে সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১১৪ রান। গ্লেন ফিলিপসের করা ১৮তম ওভারে ২২ রান তুলে দলকে ম্যাচে ফেরান জ্যাকস ও রিহান। স্যান্টনারের করা পরের ওভারে ১৬ রান নিয়ে সমীকরণ নাগালের মধ্যে নিয়ে আসেন তারা। ম্যাট হেনরির করা শেষ ওভারে অনায়াসে ৫ রান নিয়ে দুর্দান্ত জয় পায় ইংলিশরা।
অফস্পিনে ২ উইকেট নেওয়ার পর ১৮ বল ৩২ রানে অপরাজিত থাকা জ্যাকস ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন। রিহান অপরাজিত থাকেন ৭ বলে ১৯ রানে।
লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম দুই ওভারে ২ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। তৃতীয় উইকেটে পাল্টা আক্রমণে ৪৮ রানের জুটিতে সেই চাপ সামাল দেন হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেল। তবে পরপর দুই ওভারে এই দুই ব্যাটারকে হারিয়ে আবার চাপে পড়ে ইংলিশরা।
পঞ্চম উইকেটে টম ব্যান্টন ও স্যাম কারেন বিপর্যয় সামাল দিলেও রানের গতি ছিল কম। কারেন ২৪ ও ব্যান্টন ৩৩ রান করে রবীন্দ্রর শিকার হয়ে ফেরেন। ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে টিম সাইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের ৬৪ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় নিউ জিল্যান্ড। তবে ৫ বলের ভেতর এই দুই ব্যাটার সাজঘরে ফিরলে চাপে পড়ে তারা। রবীন্দ্রর (১১) বিদায়ের পর ইংলিশ স্পিনে কাবু হয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে কিউইরা।
জ্যাকসের বলে ফিলিপস (৩৯) যখন বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তখন দলের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ১৩৫ রান। সেখান থেকে শেষ ১৭ বলে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন স্যান্টনার (৯*) ও কোল ম্যাককনকি (১৪)।















মন্তব্য করুন: