তানজিদের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জিততে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
১৫ মার্চ ২০২৬
শতরানের উদ্বোধনী জুটির পর একটা সময় মনে হচ্ছিল সহজেই তিনশ রানের বেশি করে ফেলবে বাংলাদেশ। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে ধীর ব্যাটিংয়ে তা আর হয়নি। সিরিজ জয়ের অভিযানে তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরির পর পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত ২৯১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
রোববার মিরপুর-শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ২৯০ রান তোলে বাংলাদেশ।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিতে ১০৭ রান করেন তানজিদ। বাঁহাতি এই ওপেনার তার ১০৭ বলের ইনিংসটি সাজান ৬ চার ও ৭ ছক্কায়।
১৮তম ওভারে একশ রান পূর্ণ করা স্বাগতিকরা দুইশ পর্যন্ত যেতে খেলে আরও ২০ ওভার। শেষ ১০ ওভারে তুলতে পারে ৭৭ রান।
ব্যাটিংয়ে নেমে এদিন বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন তানজিদ ও সাইফ হাসান। কোনো উইকেট না হারিয়ে প্রথম পাওয়ারপ্লেতে এই দুই ব্যাটার যোগ করেন ৫৫ রান। আগ্রাসী মেজাজে খেলতে থাকা তানজিদ ফিফটি তুলে নেন ৪৭ বলে। তবে কিছুটা ধুঁকতে থাকেন সাইফ। ৫৫ বলে ৩৬ রান করা এই ব্যাটারকে বোল্ড করে ১০৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।
এরপরই কমতে শুরু করে রানের গতি। নাজমুল হোসেন শান্ত ক্রিজে এসে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের আভাস দিলেও বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেননি। ২৭ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে ভাঙে দ্বিতীয় উইকেটে ৫৩ রানের জুটি।
ছক্কা হাঁকিয়ে ৯৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তানজিদ। আবরার আহমেদের বলে শাহিনের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৬৮ রানের জুটি গড়লেও স্বাচ্ছন্দে দেখা যায়নি লিটন দাসকে। ৪৭তম ওভারে ৪১ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরানোর পরের বলে রিশাদ হোসেনকে বোল্ড করেন হারিস রউফ। ৪৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়। হারিসের শিকার ৩ উইকেট।















মন্তব্য করুন: