তামিমের কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা আমিনুলের

৮ এপ্রিল ২০২৬

তামিমের কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা আমিনুলের

বিসিবির নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কমিটির প্রতিবেদনকে ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালী আইনত অগ্রহণযোগ্য আখ্যা দিয়ে নিজেকেই সংস্থাটির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে অসাংবিধানিক অবৈধ আখ্যা দিয়ে আইসিসিকে হস্তক্ষেপের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার দুপুরেই বিসিবি সভাপতি হিসেবে পূর্বাচলের প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের মাঠ প্রদর্শনে গিয়েছিলেন আমিনুল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বিকেলে তার নেতৃত্বাধীন বিসিবির নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদকে অবৈধ ঘোষণা করে ভেঙে দেন এনএসসি। সঙ্গে সঙ্গেই তামিমকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির নাম ঘোষণা করে সংস্থাটি।

রাতে আমিনুলের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলছি যে, ২০২৬ সালের ৫ই এপ্রিল দাখিল করা প্রতিবেদনটি একটি ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালী এবং আইনত অগ্রহণযোগ্য দলিল, যার আইন বা বিসিবির গঠনতন্ত্রের দৃষ্টিতে কোনো ভিত্তি নেই।

গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবির নির্বাচনে কোনো ধরনের দুর্নীতি, কারচুপি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ অস্বীকার করেন দেশের টেস্ট ইতিহাসের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান। নির্বাচন বিসিবির গঠনতন্ত্র মেনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

১৫টি ক্লাব এবং তামিম ইকবালের কাউন্সিলর পদ সংক্রান্ত আপত্তিসহ উত্থাপিত আপত্তিগুলো যথাযথভাবে শোনা হয়েছে এবং ২৪-২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে আধা-বিচারিক শুনানির মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষী কিছু সাবেক খেলোয়াড়ের ছড়ানোনির্বাচন ফিক্সিং’-এর আখ্যানটি বোর্ডকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে তৈরি একটি মনগড়া কাহিনী।

যুব ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হকের উদ্দ্যোগে গঠিত এনএসসির তদন্ত কমিটি এবং এর প্রতিবেদনকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক হিসেবে আখ্যা দেন আমিনুল। একই সঙ্গে জানান, বিসিবির মতো একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে শেষ হয়ে যাওয়া নির্বাচনী প্রক্রিয়া তদন্ত করার কোনো এখতিয়ার এনএসসির নেই।

তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আমিনুল হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

নির্বাচিত পরিচালক পর্ষদের কথিত বিলুপ্তি এবং তামিম ইকবালের নেতৃত্বেঅ্যাড-হক কমিটিচাপিয়ে দেওয়া একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান। এই পদক্ষেপটি অবৈধ, বিসিবি গঠনতন্ত্রে এখতিয়ার বহির্ভূত এবং সরকারি হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত আইসিসির নিয়মের সরাসরি লঙ্ঘন।… ‘অ্যাড-হক কমিটিএকটি অবৈধ সত্তা। এই অবৈধ সংস্থাকে কাজ করতে না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাই আমরা।

আমরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) আমাদের নির্বাচিত বোর্ডের পবিত্রতা রক্ষায় অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি। অ্যাড-হক কমিটি অবৈধ। তদন্ত প্রতিবেদনটিও অবৈধ।

হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিনুল ইসলাম বুলবুলই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি থাকবেন।

মন্তব্য করুন: