অনভিজ্ঞ নিউ জিল্যান্ডকে ২য় সারির দল মানতে নারাজ বাংলাদেশ কোচ
১৫ এপ্রিল ২০২৬
৩৬৮ ও ৭৬১ – প্রথমটি হলো বাংলাদেশে সফরে আসা নিউ জিল্যান্ড দলের ক্রিকেটারদের সম্মিলিত ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা, আর পরেরটি হলো বাংলাদেশের। আইপিএল ও পিএসএলের কারণে কিউইদের দলে নেই নিয়মিত ক্রিকেটারদের প্রায় কেউই। তবুও এই অনভিজ্ঞ দলটিকে দ্বিতীয় সারির মানতে নারাজ বাংলাদেশ হেড কোচ ফিল সিমন্স।
এবারের সফরে ১৪ সদস্যের নিউ জিল্যান্ড দলে পাঁচটির কম ওয়ানডে খেলা ক্রিকেটারদের সংখ্যাই সাত জন। পঞ্চাশটির ওপরে ম্যাচ খেলেছেন তিনজন, যার মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ অধিনায়ক টম ল্যাথাম। বাঁহাতি এই টপ-অর্ডার ব্যাটার একাই খেলেছেন ১৬৩ ম্যাচ। দলে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে একশর বেশি ম্যাচ খেলা একমাত্র ক্রিকেটারও তিনি।
অন্যদিকে বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে একশর বেশি ম্যাচ খেলেছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও অভিজ্ঞ পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। লিটন দাস খেলেছেন ৯৮টি। এর সঙ্গে নাজমুল হোসেন শান্তর খেলা ৬১ ম্যাচ যোগ করলে এই চার ক্রিকেটারের ম্যাচ খেলার সম্মিলিত অভিজ্ঞতা হবে চারশর কাছাকাছি।
সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা ও শক্তিমত্তার দিক দিয়ে অনুমিতভাবেই বেশ এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এসব যে কাজ করবে না, তা মনে করিয়ে দিলেন সিমন্স।
আগামী শুক্রবার সিরিজ শুরুর আগে বুধবার প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ বলেন, “আমি দ্বিতীয় সেরা দল সম্পর্কে জানি না। আমি মনে করি যে কোনো দেশ থেকে যে দলই আসুক না কেন সেটিই তাদের সেরা দল, বিশেষ করে নিউ জিল্যান্ডের মতো দেশের ক্ষেত্রে যেখানে আপনি প্রতিনিয়ত নতুনদের আসতে দেখেন।”
“একটি বিষয় আপনাদের জানতে হবে যে এই সব ছেলেরা সব ফরম্যাটে বিপুল সংখ্যক ঘরোয়া ম্যাচ খেলেছে। তাই তারা বেশ পরিপক্ক, তারা অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তাদের কেউ কেউ আন্তর্জাতিক ম্যাচ না-ও খেলে থাকতে পারে। কিন্তু তারা বেশ পরিপক্ক খেলোয়াড়, যারা তাদের জীবনে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে। তাই তাদের দল দ্বিতীয় কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত হবেন না। আন্তর্জাতিক স্তরে বিষয়গুলো আসলে এভাবে কাজ করে না।”















মন্তব্য করুন: