‘বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে উন্নতির অনেক জায়গা আছে’
১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশের ক্রিকেটে ব্যাটিং ব্যর্থতা যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের আগেও আলোচনায় আছে বিষয়টি। সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ধসে পড়ে দলের ব্যাটিং। শেষ ওয়ানডেতে ওপেনাররা দারুণ শুরু এনে দেওয়ার পরও তিনশ রানও করতে পারেনি তারা। সব মিলিয়ে ব্যাটিংয়ে অনেক উন্নতির জায়গা আছে বলে জানিয়েছেন হেড কোচ ফিল সিমন্স।
গত মার্চে নাহিদ রানার নৈপুণ্যে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে অনায়াসে জয় পায় বাংলাদেশ। কিন্তু পরের ম্যাচে ২৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ২৬.৩ ওভার আগে এবার নিজেরাই ১১৪ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। শেষ ম্যাচে ১৮ ওভারে ১০৫ রানের জুটির পরও তাদের ইনিংস থামে ৫ উইকেটে ২৯০ রানে। শেষ ১০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে তোলে ৭৭ রান।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স জানান, ব্যাটিংয়ে উন্নতির জন্য কাজ করছে তারা।
“টপ অর্ডার থেকে শুরু করে পাঁচ, ছয়, সাত এবং আট নম্বর পর্যন্ত আমাদের উন্নতির অনেক জায়গা রয়েছে। আমরা আমাদের উন্নতি নিশ্চিত করতে নিয়মিত চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনি যে অংশের কথা বলছেন, শেষ ১০ ওভার, সেখানে আমরা ভালো করছি। পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে শেষ ১০ ওভারে আমরা কত, ৮০ রান (৭৭ রান) করেছি। তাই সেই জায়গায় আমরা উন্নতি করছি।”
কোচের মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশির ভাগ ব্যাটারই টপ-অর্ডারে খেলায় জাতীয় দলে এসে নতুন পজিশনে তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন না।
“মনে হচ্ছে আমাদের সব ব্যাটাররাই ঘরোয়া ক্রিকেটে টপ-অর্ডারে ব্যাটিং করে। মিরাজের ক্ষেত্রেও তাই, হৃদয়ের ক্ষেত্রেও তাই।… কিন্তু যখন তারা এখানে আসে তখন তাদের ভিন্ন পজিশনে মানিয়ে নিতে হয়। এখন পর্যন্ত ছেলেরা সেই পজিশনগুলোতে মানিয়ে নিতে খুব কঠোর চেষ্টা করছে। আমি মনে করি, এটিই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম বড় বিষয়, আপনার সামনে যা আসবে আপনাকে সেটির সাথে মানিয়ে নিতে হবে। আপনি ঘরোয়া ক্রিকেটে কী করেছেন সেটি বড় কথা নয়।”















মন্তব্য করুন: