সিরিজ জয়ের অভিযানে শান্তর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের ২৬৫
২৩ এপ্রিল ২০২৬
শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারানোর পর লিটন দাসকে নিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে টেনে তুললেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই বছর পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া বাঁহাতি এই ব্যাটার দলকে বড় সংগ্রহের ভিতও গড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ দিকে ব্যাটাররা দ্রুত রান তুলতে না পারায় সিরিজ জয়ের অভিযানে নিউ জিল্যান্ডকে ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিকরা।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তোলে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে স্বাগতিকরা ৪ উইকেট হারিয়ে তুলতে পারে কেবল ৬১ রান।
ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরিতে শান্ত করেন ১০৫ রান। বাঁহাতি এই ব্যাটার তার ১১৯ বলের ইনিংসটি সাজান ৯ চার ও ২ ছক্কায়। অন্যদিকে ১৯ ইনিংস পর ওয়ানডেতে ফিফটির দেখা পাওয়া লিটন ফেরেন ৯১ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ৭৬ রান করে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উইল ও’রোর্কের পেস তোপে প্রথম পাওয়ারপ্লেতেই তিন টপ-অর্ডারকে হারায় স্বাগতিকরা। সাইফ হাসান (০) ও তানজিদ হাসান তামিমের (১) বিদায়ের পর সৌম্য সরকার (১৮) ফেরেন নবম ওভারে। তিনটি উইকেটই নেন ও’রোর্ক।
৩২ রানে ৩ উইকেট হারানো দলকে টেনে তুলতে শুরুতে ধীর ব্যাটিং করেন শান্ত ও লিটন। প্রথম ম্যাচে শূন্য রান করে ফেরা শান্ত টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেন ৭০ বলে। অপর প্রান্তে লিটন ক্যারিয়ারের ১৩তম অর্ধশত পূর্ণ করেন ৭১ বলে।
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর এই ফরম্যাটে লিটনের এটি প্রথম ফিফটি। সেবার অক্টোবরে পুনেতে ওপেনিংয়ে নেমে ভারতের বিপক্ষে ৬৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।
জেইডেন লেনক্সকে লেগ সাইডে সরে এসে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। ভাঙে চতুর্থ উইকেটে ১৬০ রানের জুটিটি।
সঙ্গীর বিদায়ের পর ১১৪ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শান্ত। বাঁহাতি এই ব্যাটার ওয়ানডেতে সবশেষ তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছিলেন ২০২৪ সালের মার্চে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একই ভেন্যুতে।
তার বিদায়ের পর তাওহিদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ বড় সংগ্রহের চেষ্টা চালালেও তা আর হয়নি। ১৮ বলে ২২ রান করে মিরাজ সাজঘরের পথ দেখার পর শেষ ২ ওভারে ৮ রান তুলতে পারে স্বাগতিকরা। হৃদয় অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে।
ও’রোর্কের তিনটি এবং বেন লিস্টার ও লেনক্স দুটি করে উইকেট নেন।















মন্তব্য করুন: