গতি নয়, নাহিদের যে গুণে মুগ্ধ হয়েছিলেন মুশফিক
১৫ মে ২০২৬
গতির ঝড় তুলে ক্রিকেট বিশ্বে ইতোমধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন নাহিদ রানা। জাতীয় দলে আসার আগে ঘরোয়া ক্রিকেটেও রীতিমত আগুনের গোলা ছুঁড়তেন তিনি। কিন্তু সে সময় তরুণ এই ডানহাতি এই ফাস্ট বোলারের গতি নয়, বরং আলাদা একটি গুণ দেখে অবাক হয়েছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রাজশাহী বিভাগের হয়ে খেলতেন নাহিদ। সেখানেই এই উদীয়মান ফাস্ট বোলারকে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছিলেন মুশফিক। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের আগে সংবাদ সম্মেলনে দেশের সফলতম টেস্ট ব্যাটার জানালেন, নাহিদের শেখার ক্ষুধা আলাদা করে মুগ্ধ করেছিল তাকে।
“ওকে আমি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকেই চিনি। গত দুই বছর সিলেটের হয়ে খেলেছি (জাতীয় লিগে), তবে রাজশাহীর হয়ে যখন সবশেষ খেলেছিলাম, চারটি চার দিনের ম্যাচ খেলেছিলাম, তখনই নাহিদ রানাকে কাছ থেকে দেখা এবং ওর সাথে খেলা। তখন থেকে একটা ব্যাপার খুবই ভালো লেগেছিল। তখনই জানতাম যে ভবিষ্যতে ও জাতীয় দলে অবশ্যই খেলবে। তখন থেকেই ওর শেখার যে আগ্রহ বা নিজেকে উন্নত করার যে ইচ্ছাটা ছিল, এটা সাধারণত তরুণ ক্রিকেটারদের কম থাকে, কিংবা কারও থাকলেও সে হয়তো নিজে থেকে ওটা বলতে চায় না, হয়তো একটু সংকোচ বোধ করে। কিন্তু ওকে দেখেছি, ও কখনও সংকোচ করত না।”
“ও আমাকে জিজ্ঞেস করত, বা ওখানে তখন ফরহাদ ভাই (ফারহাদ রেজা) ছিলেন, ফরহাদ হোসেন, জুনায়েদ সিদ্দিকী ছিল, অনেক সিনিয়র ক্রিকেটার ছিল। সবসময় জানতে চাইত যে, আরেকটু কী করলে কী হয়, লাইফ স্টাইল কেমন থাকা উচিত। একটা তরুণ ক্রিকেটারের মধ্যে যেটা দেখে আমি সত্যিই অবাক হয়েছিলাম এবং সত্যিই খুব খুশি হয়েছিলাম।… ওর যে অগ্রগতি হয়েছে, এটায় কখনও বিস্মিত হইনি, আগেই ওই সময়ে বুঝতে পেরেছিলাম, ওর এই ইচ্ছাটা আছে।”
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষে বাংলাদেশ পরের টেস্ট খেলবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। আগামী আগস্টের সেই সিরিজ দিয়ে ২৩ বছর পর দেশটির মাটিতে সাদা পোশাকের ক্রিকেট খেলতে যাবে টাইগাররা। সব কিছু ঠিক থাকলে নাহিদ ছাড়াও ২১ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো সেখানে টেস্ট খেলবেন মুশফিকও। ৩৯ বছর বয়সী এই ব্যাটারের প্রত্যাশা, অস্ট্রেলিয়ায় গতির ঝড় তুলবে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ।
“এটা তো অনেক বড় একটা স্বপ্ন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়া বিপক্ষে টেস্ট খেলা। নাহিদ রানার মতো যদি এরকম একজন গতিতারকা যদি থাকে… শুধু ও নয়, আমাদের তাসকিন বলেন, শরিফুল – আমাদের যে আট-দশজন মূল পেস বোলারের একটা গ্রুপ আছে, আশা করব তারা সুস্থ থাকবে এবং আশা করি, নিজেদের মেলে ধরবে।”















মন্তব্য করুন: