বোলারদের নৈপুণ্যে প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড বাংলাদেশের
১৭ মে ২০২৬
দিনের শুরুতেই দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। এরপর উইকেট শিকারে যোগ দিলেন স্পিনাররা। পেস-স্পিনের যুগলবন্দীতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৬ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
রোববার সিলেটে দ্বিতীয় দিন চা বিরতির পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ২৩২ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। এর আগে প্রথম দিন লিটন দাসের সেঞ্চুরির পর বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৭৮ রানে।
তিনটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। দুটি করে নেন তাসকিন ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
বাবর আজম ছাড়া কেউই ইনিংস বড় করতে পারেননি। শেষ দিকে ঝড়ো ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন সাজিদ খান।
বিনা উইকেটে ২১ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করার পর দ্বিতীয় ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে লিটনের দারুণ এক ক্যাচে আব্দুল্লাহ ফজলকে (৯) ফিরিয়ে ভাঙেন ২২ রানের উদ্বোধনী জুটি। এক ওভার পর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও (১৩) তুলে নেন ডানহাতি এই পেসার।
শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর। তবে মাসুদকে (২১) ফিরিয়ে ৩৮ রানের এই জুটি ভাঙেন মিরাজ। সৌদ শাকিলকেও (৮) ফেরান এই অফ স্পিনার।
মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির আগে ৪ উইকেট হারিয়ে সালমান আলী আগাকে নিয়ে দলকে টেনে তুলতে শুরু করেন বাবর। বিরতির পর ৬৩ বলে ফিফটি তুলে নেন একাদশে ফেরা এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৮ রান করা এই ব্যাটারকে ফিরিয়ে ৬৩ রানের জুটি ভাঙেন নাহিদ। ডানহাতি এই ফাস্ট বোলারকে মোকাবেলা করা চার ইনিংসের মধ্যে এই নিয়ে তৃতীয়বার তার বলে আউট হলেন বাবর।
খানিকবাদে সালমানকে (২১) ফিরিয়ে সফরকারীদের চাপ বাড়ান তাইজুল। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (১৩) বোল্ড এবং হাসান আলীকে (১৮) ফেরান বাঁহাতি এই স্পিনার।
১৮৪ রানে ৮ উইকেট হারানো দলকে দুইশ পার করান খুররাম শেহজাদ ও সাজিদ। চা বিরতির পর পাকিস্তানের ইনিংসের স্থায়িত্ব ছিল ১৬ বল। তৃতীয় বলে খুররামকে (১০) তুলে নেন নাহিদ। তাইজুলের করা পরের ওভারে ৩ ছক্কায় ১৯ রান তোলেন সাজিদ। তবে পরের ওভারে তাকে ফিরিয়ে ইনিংসের ইতি টানেন নাহিদ।















মন্তব্য করুন: