মুশফিকের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
১৮ মে ২০২৬
লিটন দাসকে নিয়ে পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দেওয়ার ভিতের শুরুটা করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। এরপর লোয়ার-অর্ডারদের নিয়ে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে অভিজ্ঞ এই ব্যাটার তা নিয়ে গেলেন চারশর উপরে। সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করতে ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।
সোমবার সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের তৃতীয় দিন নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। পাকিস্তান রান তাড়ায় নামলে ২ ওভার পর আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলার ইতি টানেন আম্পায়াররা। বিনা উইকেটে শূন্য রান নিয়ে চতুর্থ দিন ব্যাট করতে নামবে সফরকারীরা।
নাজমুল হোসেন শান্তর দলের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশ হওয়া এড়াতে পাকিস্তানকে ব্যাটিং করতে হবে আরও দুই দিন। আর ম্যাচ জিততে হলে গড়তে হবে নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে দলটি সর্বোচ্চ ৩৭৭ রান তাড়া করে জিতেছিল ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
৩ উইকেটে ১১০ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করা বাংলাদেশ সেশনের চতুর্থ ওভারে হারায় শান্তকে। খুররাম শেহজাদের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে স্বাগতিক অধিনায়ক সাজঘরের পথ দেখেন ১৫ রান করে। তবে মুশফিক-লিটনের শতরানের জুটিতে চাপে পড়তে হয়নি স্বাগতিকদের।
পঞ্চম উইকেটের এই জুটি থেকে পঞ্চাশ রান আসার পর তা ভাঙার সুযোগ এসেছিল পাকিস্তানের। শেহজাদের বল অফ সাইডে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দেন লিটন। তবে অপর প্রান্তে সাড়া দেননি মুশফিক। ফেরার সময় না থাকায় মাঝপথেই একপ্রকার দাঁড়িয়ে যান লিটন। কিন্তু বাবর আজমের হাতে বেশ খানিকটা সময় থাকলেও বল স্টাম্পে লাগাতে পারেননি। বেঁচে যান ৩৮ রানে থাকা লিটন।
মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির পর ৬৭ বলে ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি তুলে নেন লিটন। মুশফিক পঞ্চাশ স্পর্শ করেন ১০৩ বলে। এর পরপরই ব্যক্তিগত ৬৯ রানে সাজঘরের পথ দেখেন লিটন।
১৯ রান করে বোল্ড হন মেহেদী হাসান মিরাজ। সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৭৭ রানের জুটি গড়েন মুশফিক। এর মাঝে ১৭৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তাইজুলের (২২) বিদায়ে ভাঙে এই জুটি।
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে ১৪ শতকের মালিক এখন মুশফিক। ডানহাতি এই ব্যাটার তার ১৩৭ রান ইনিংসটি সাজান ১২ চার ও এক ছক্কায়।
তাসকিন আহমেদ (৬) ও শরিফুল ইসলামের (১২) বিদায়ের পর শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মুশফিক।















মন্তব্য করুন: