পেসার ও টেইলএন্ডারদের অবদান দেখছেন শান্ত

পেসার ও টেইলএন্ডারদের অবদান দেখছেন শান্ত

ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পেসাররা। পাশাপাশি টেইলএন্ডাররা লম্বা সময় ক্রিজে থাকায় ব্যাট হাতে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পেরেছিল স্বাগতিকরা। ঐতিহাসিক এই সিরিজ জয়ের পর এই দুই বিভাগের উন্নতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

বুধবার সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় শেষ টেস্টের শেষ দিন পাকিস্তানকে ৭৮ রানে হারিয়ে - ব্যবধানে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। এর আগে মিরপুরে প্রথম ম্যাচে ১০৪ রানে জিতেছিল স্বাগতিকরা।

দুই ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্সে পাকিস্তানকে টানা দ্বিতীয় টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে শান্তর দল। দলের এমন সাফল্যের সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের দিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অধিনায়ক বলেন, “সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের, তারা খুব কঠোর পরিশ্রম করেছে। যেমনটা আপনি বললেন, আমরা কিছু পরিবর্তন এনেছি, আমরা আমাদের দল গড়ার চেষ্টা করেছি। আর আপনি যদি বিশ্ব ক্রিকেটের দিকে তাকান, যদি আপনি কিছু গড়তে চান তবে আপনাকে পরিবর্তন আনতেই হবে। আমি আশা করি আমরা যেভাবে খেলছি সেভাবে খেলা চালিয়ে যাব।

গতির ঝড় তুলে সিরিজে ১১ উইকেট নেন নাহিদ রানা। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা তাসকিন আহমেদের শিকার উইকেট। বোলারদের নৈপুণ্যের পাশাপাশি বিপর্যয়ের মাঝে ব্যাটারদের বড় বড় জুটি দলকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেয় দুই ম্যাচেই। বিশেষ করে শেষ টেস্টের দুই ইনিংসেই ব্যাট হাতে টেইলএন্ডারদের দৃঢ়তায় দলকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যান লিটন দাস মুশফিকুর রহিম, যা শেষ পর্যন্ত জয় পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিরিজের সবচেয়ে সন্তোষজনক দিক সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে শান্ত বলেন, “আমাদের ফাস্ট বোলাররা গরমের মধ্যে, ফ্ল্যাট উইকেটে দারুণ কাজ করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা আমরা সবসময় উন্নত করতে চেয়েছিলাম। আর ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে আমরা অনেক বেশি উইকেট হারিয়ে ফেলতাম। কিন্তু আজকাল আমাদের অসাধারণ সব পার্টনারশিপ হচ্ছে। আমাদের টেইলএন্ডাররাও অনেক অবদান রাখছে। এগুলোই সেই বিষয় যা আমরা উন্নত করতে চেয়েছিলাম এবং আমি আশা করি আমরা এটা বজায় রাখব।

ঘরের মাঠে সবশেষ দুই টেস্ট সিরিজের দুটিতেই প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশের পর বাংলাদেশের পরের গন্তব্য অস্ট্রেলিয়া। আগামী আগস্টে দেশটির মাটিতে ২০০৩ সালের পর টেস্ট খেলতে যাবে টাইগাররা। বছরের শেষে সিরিজ আছে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে। ঘরের মাঠের সাফল্য মাটিতেও আনতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক।

গত (বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ) চক্রে আমরা বাইরে ভালো ক্রিকেট খেলছিলাম। কিন্তু এই বছর আমাদের আরও কিছু চ্যালেঞ্জিং সফর আছে। নিজেদের প্রস্তুত করার জন্য এটি আমাদের কাছে একটি নতুন অভিজ্ঞতা। তবে যদি আমরা আমাদের ফাস্ট বোলার এবং স্পিনারদের নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যেতে পারি, আমরা সেখানেও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।

মন্তব্য করুন: