মুশফিকের এখনও বিদায় বলার সময় হয়নি: বাংলাদেশ হেড কোচ
১৮ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছেন মুশফিকুর রহিম। দাঁড়িয়ে আছেন দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে একশ টেস্ট খেলার মাইলফলকের সামনেও। দলের হেড কোচ ফিল সিমন্সের মতে, এখনও বিদায় জানানোর সময় হয়নি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে জাতীয় দলে খেলা মুশফিকের।
বুধবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলতে নামলেই ১০০ টেস্ট খেলা প্রথম বাংলাদেশি হয়ে যাবেন মুশফিক।
২০০৫ সালের ২৬ মে ঐতিহাসিক লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তার। এরপর নিজের পেশাদারিত্ব ও নিবেদন দিয়ে হয়ে উঠেছেন দেশের অন্যতম সেরা ব্যাটার। জাতীয় দলের জার্সিতে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৩৫১ রানের মালিকও তিনি। দেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে হাঁকিয়েছেন তিনটি দ্বিশতকও।
৩৮ বছর বয়সেও ব্যাট হাতে ছন্দ আছেন মুশফিক। চার ইনিংস আগে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে খেলেছিলেন ১৬৩ রানের ইনিংস।
মঙ্গলবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, “আমি আসার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে মুশিকে বলেছিলাম, এখন তুমি যা করছ, সেটা উপভোগ করো। প্রতিটি দিন, প্রতিটি টেস্ট উপভোগ করো। কারণ যত দিন তুমি পারফর্ম করবে, তত দিন তুমি নিজেই নির্ধারণ করবে কত দিন খেলবে। পারফরম্যান্সটাই সবচেয়ে জরুরি। যত দিন সে পারফর্ম করবে, তার পেশাদারিত্ব তাকে সমর্থন করবে। যত দিন না সে নিজে ‘না’ বলে।”
সিমন্সের মতে, একজন ক্রিকেটারের খেলা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তিনটি বিষয় হলো গুরুত্বপূর্ণ – ফিটনেস, পারফরম্যান্স এবং খেলার ইচ্ছা। মুশফিকের মধ্যে তিনটি বিষয় এখনও দেখেন তিনি।
“তিনটিই তার মধ্যে আছে। সে দলের সবচেয়ে ফিট খেলোয়াড়দের একজন, পারফর্মও করছে। এই তিনটি মানদণ্ডই ঠিক থাকলে, কত দিন খেলবে, সেটা সে নিজেই নির্ধারণ করবে।”
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একশ টেস্ট খেলার অপেক্ষায় থাকা মুশফিক কিংবদন্তিদের কাতারে পড়েন কি না – জানতে চাওয়া হয়ে বাংলাদেশ কোচ বলেন, “অবশ্যই সে কিংবদন্তি। খুব কম খেলোয়াড়ই আছে, যারা টেস্ট ক্রিকেটে তার মতো এতগুলো ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। আর ২০ বছর ধরে ধারাবাহিক পারফর্ম করা, এটা তাকে নিঃসন্দেহে কিংবদন্তির পর্যায়ে রাখে।”















মন্তব্য করুন: