নাসুমের ঘূর্ণিতে ৬১ রানে অলআউট নোয়াখালী, সহজ জয় সিলেটের
৫ জানুয়ারি ২০২৬
নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে বিপিএলের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহে অলআউট হয়েছে নোয়াখালী। ৬ উইকেটে লক্ষ্য তাড়া করে দুই ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেয়েছে সিলেট টাইটান্স।
সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ১৪ ওভার ২ বলে ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। জবাবে ১১.২ ওভার হাতে রেখে জয় পায় সিলেট।
৪ ওভারে ৭ রান নিয়ে ৫ উইকেট নেন নাসুম। ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া বাঁহাতি এই স্পিনার টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেট পেলেন।
বিপিএলের ইতিহাসের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের রেকর্ড খুলনা টাইগার্সের। ২০১৬ সালে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল তারা। ২০১৫ সালে বরিশাল বুলস ৫৮ এবং সিলেট সুপার স্টার্স ৫৯ রানে অলআউট হয়েছিল।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা নোয়াখালীর উদ্বোধনী জুটিতে ২৪ রান যোগ করেন হাবিবুর রহমান ও সৌম্য সরকার। নিজের প্রথম বলেই সৌম্যকে (৬) ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাসুম। এরপর থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে শুরু করে নোয়াখালী।
পুরো ইনিংসে দুই অঙ্কের দেখা পান কেবল দুইজন। ওপেনার হাবিবুরের ১৮ রানের পর ২৫ রান করে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। নিজের শেষ ওভারে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পান নাসুম। ১৩তম ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে দুই উইকেট নেন তিনি। এরপর ওভারের শেষ বলে বিলাল সামিকে স্টাম্পিং করিয়ে পঞ্চম শিকার ধরেন ৩১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
পরের ওভারে মাহিদুলকে ফিরিয়ে ইনিংসের ইতি টানেন মোহাম্মদ আমির।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় দ্বিতীয় ওভারেই পারভেজ হোসেন ইমনকে (১) হারায় সিলেট। দ্বিতীয় উইকেটে তৌফিক খান ও জাকির হাসানের জুটিতে বড় জয়ের পথে ছিল তারা। কিন্তু তৌফিকের (৩২) বিদায়ের পর দ্রুত সাজঘরের পথ দেখেন আফিফ হোসেন (২) ও জাকির (২৪)।
ছয় ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিনে আছে সিলেট। চার ম্যাচের সবকটিতে হেরে তালিকার তলানিতে আছে নোয়াখালী।
[বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সংযোজন করা হয়েছে।]















মন্তব্য করুন: