শেষ বলে ছক্কায় রংপুরকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে সিলেট
২০ জানুয়ারি ২০২৬
পেসারদের নৈপুণ্যে রংপুর রাইডার্সকে অল্পতেই আটকিয়েছিল সিলেট টাইটান্স। কিন্তু সেই লক্ষ্য তাড়া করতে শেষ বল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হলো তাদের। শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। ছক্কা হাঁকিয়েই দলকে রোমাঞ্চকর জয় এনে দিয়েছেন ক্রিস ওকস।
মঙ্গলবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এলিমিনেটরের ম্যাচে রংপুরের দেওয়া ১১২ রানের লক্ষ্যে ৩ উইকেট হাতে রেখে পৌঁছে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠেছে সিলেট।
অল্প রানের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ৪ উইকেট হাতে থাকা সিলেটের শেষ দরকারে ছিল ৯ রানের। ওভারের প্রথম ৪ বলে ২ রান দেওয়ার পাশাপাশি মঈন আলীর উইকেট তুলে নেন ফাাহিম আশরাফ। পঞ্চম বলে দুই রান নেওয়ার সুযোগ থাকলেও এক রান নিয়ে স্ট্রাইক নিজের কাছে রাখেন ওকস। শেষ বলে এক্সট্রা কাভার অঞ্চলের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটকে জেতান এই ম্যাচের আগে দলে যোগ দেওয়া এই ইংলিশ অলরাউন্ডার।
এর আগে বল হাতে ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ওকস। ১৪ রান নিয়ে ৪ উইকেট নেন খালেদ আহমেদ। এই দুই পেসারের নৈপুণ্যে রংপুরকে ৯ উইকেটে ১১১ রানে আটকাতে পারে সিলেট।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রংপুরের মাত্র তিন ব্যাটার দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেন। ওকস-খালেদের আগুন ঝরানো বোলিংয়ে পাওয়ারপ্লেতেই ডাভিড মালান (৪), তাওহিদ হৃদয় (৪) ও অধিনায়ক লিটন দাসের (১) উইকেট হারায় রংপুর।
এরপর পাঁচ নামা খুশদিল শাহর ৩০, ছয়ে নামা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ৩৩ এবং সাতে নামা নুরুল হাসান সোহানের ১৮ রানের ইনিংসে একশর ঘর পার করে তারা।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা তুলনামূলক ভালো হয় সিলেটের। পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ৩৯ রান। কিন্তু এরপরই তাদের চেপে ধরতে শুরু করেন বোলাররা।
৪৪ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ৫০ রানের জুটিতে দলকে জয়ের পথে রাখেন স্যাম বিলিংস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু রান তুলতে বেশ হিমশিম খান তারা। মিরাজের (১৮) বিদায়ে থামে ৫৪ বলের এই জুটিটি। ধুঁকতে থাকা ৪০ বলে ২৯ রান করা বিলিংসকে ফেরান মুস্তাফিজুর রহমান।
শেষ পর্যন্ত সিলেটকে জয় এনে দেওয়া ওকস অপরাজিত থাকেন ৪ বলে ১০ রানে। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন খালেদ।















মন্তব্য করুন: