এবার বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন হ্যাজেলউড
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর একদিন আগে জশ হ্যাজেলউডকে নিয়ে দুঃসংবাদ পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় পুরো আসর থেকেই ছিটকে গেছেন ডানহাতি এই অভিজ্ঞ পেসার।
শুক্রবার হ্যাজেলউডের বাদ পড়ার বিষয়টি জানায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এর আগে চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান আরেক অভিজ্ঞ পেসার প্যাট কামিন্স।
গত নভেম্বরে অ্যাশেজ সিরিজের আগে শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচ খেলতে নেমে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ার আগে সাদা বলের ক্রিকেটে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন হ্যাজেলউড। ভারতের বিপক্ষে সবশেষ টি-টুয়েন্টিতে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। ওই সিরিজের আগে নিউ জিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও টি-টুয়েন্টিতে ভালো বোলিং করেছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এই পেসার।
সব মিলিয়ে ২০২৫ সালে খেলা ৮ টি-টুয়েন্টিতে ১২ উইকেট নেন হ্যাজেলউড, ওভার প্রতি রান দেন ৭ দশমিক ৩৭ করে। এছাড়া সে বছর আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জোর্স বেঙ্গালুরুকে প্রথম শিরোপা জেতাতেও তার ছিল বড় অবদান।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের পর পুনবার্সনের প্রক্রিয়ায় নতুন করে একিলিসে চোট পান হ্যাজেলউড। ফলে পুরো অ্যাশেজ থেকেই ছিটকে যান তিনি। তবে বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলসহ তাকে নিয়ে চূড়ান্ত দলও ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া।
আশা করা হচ্ছিল, বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচ থেকেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি। কিন্তু পরে জানানো হলো টুর্নামেন্টের মাঝমাঝি সময় থেকে তিনি খেলতে পারবেন। ফলে দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় যেতে পারেননি হ্যাজেলউড। তখন বলা হয়েছিল, সিডনিতে অনুশীলন চালিয়ে যাবেন এবং পরে দলে যোগ দেবেন।
এবার নির্বাচক টনি ডডেমেইড নিশ্চিত করলেন, সেটিও আর হচ্ছে না। তবে হ্যাজেলউডের বদলে এখনই কাউকে দলে নেওয়া হবে না।
“আমাদের আশা ছিল, সুপার এইট পর্যায়ে জশ ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাবে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যা ইঙ্গিত পেয়েছি, তাতে সে এখনও বেশ খানিকটা দূরে আছে এবং তাড়াহুড়ো করতে গেলে তা অনেক বেশিই ঝুঁকি বয়ে আনবে।”
কামিন্সের বদলি হিসেবে আগেই সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার বেন ডোয়ার্শিস। হ্যাজেলউডকে নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় ‘ট্রাভেলিং রিজার্ভ’ হিসেবে দলে রাখা হয়েছে শন অ্যাবটকে।
২০০৯ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এবারই প্রথম আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, কামিন্স ও হ্যাজেলউডের যে কোনো একজনকে ছাড়াই মাঠে নামতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে।















মন্তব্য করুন: