মুজারাবানির দুর্দান্ত বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হতভম্ব করল জিম্বাবুয়ে
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্লেসিং মুজারাবানির ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে স্নায়ুচাপ সামলে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ এক চমক উপহার দিয়েছে জিম্বাবুয়ে।
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বড়ো বিপদে পড়ে যায়। এরপর পঞ্চম উইকেটে ম্যাথিউ রেনশ ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ৭৭ রানের জুটি লড়াইয়ে ফেরায় দলকে।
শেষ দুই ওভারে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৩৪ রান। কিন্তু আট বল বাকি থাকতে দুর্দান্ত মুজারাবানির বলে আকাশে তুলে ৬৫ রানে ক্যাচ দেন রেনশ, আর তাতেই ম্যাচ প্রায় শেষ হয়ে যায়।
দুই ম্যাচ শেষে ‘বি’ গ্রুপের পরিস্থিতি জমে উঠেছে। জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া, যারা সোমবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।
আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে কিছুটা সতর্ক খেলায় জিম্বাবুয়ে ধীরগতির মনে হচ্ছিল।
ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ৫৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রান করেন, সাতটি চার থাকলেও স্ট্রাইক রেট ছিল ১১৪.২৮।
তাদিওয়ানাশে মারুমানি ও রায়ান বার্ল তুলনামূলক বেশি আগ্রাসী ছিলেন, দুজনেই ৩৫ রান করেন।
শেষ দিকে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে অপরাজিত ২৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। ইনিংসের শেষ বলেই মারেন দলের একমাত্র ছক্কা।
উদ্বোধনী ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮২–৬ করা অস্ট্রেলিয়ার জন্য এই লক্ষ্য নাগালের মধ্যেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু মুজারাবানি (৪–১৭) ও ব্র্যাড ইভান্স (৩–২৩) দ্রুত জশ ইংলিস, ট্রাভিস হেড, ক্যামেরন গ্রিন ও টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বড়ো চাপে ফেলে দেন।
রেনশ ও ম্যাক্সওয়েল ইনিংস গড়ার চেষ্টা করলেও ম্যাক্সওয়েল ৩১ রানে বার্লের বলে বোল্ড হয়ে গেলে চাপ আরও বাড়ে।
এরপর শেষের আগের ওভারে আবার আক্রমণে এসে রেনশকে আউট করেন ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার পেসার মুজারাবানি; আর দ্রুতই জয় নিশ্চিত করে জিম্বাবুয়ে।
টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে এই দুই দলের এটি ছিল মাত্র দ্বিতীয় দেখা। ২০০৭ সালের উদ্বোধনী আসরেও রিকি পন্টিং, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও ব্রেট লিদের মতো তারকা থাকা অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমকে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।















মন্তব্য করুন: