ঝড়ো ইনিংসে রংপুরকে জেতালে মাহমুদউল্লাহ
২ জানুয়ারি ২০২৬
মুস্তাফিজুর রহমান ও ফাহিম আশরাফের নৈপুণ্যে দেড়শর আগে সিলেট টাইটান্সকে থামিয়েছিল রংপুর রাইডার্স। লক্ষ্য তাড়ায় রানের গতি না থাকলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ক্রিজে আসতেই বদলে যায় সেই দৃশ্যপট। অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের ঝড়ো ইনিংসে ৬ উইকেটের জয় পেয়েছে রংপুর।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ৮ উইকেটে ১৪৪ রান তোলে সিলেট। জবাবে ৭ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছায় রংপুর। ১৬ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৩৪ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হন মাহমুদউল্লাহ।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা সিলেট দলীয় ১২ রানে হারায় সাইম আইয়ুবের (১১) উইকেট। এদিনও তিন নম্বরে নেমে ব্যর্থ হন মেহেদী হাসান মিরাজ (৪)। সিলেট অধিনায়ককে ফিরিয়ে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে টি-টুয়েন্টিতে ৪০০ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই কীর্তি গড়েন সাকিব আল হাসান।
পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে রনি তালুকদারকে (১৯) তুলে নেন ফাহিম। দারুণ ছন্দে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন এদিন ফেরেন ১৯ বলে ১৫ রান করে।
৬৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন আফিফ হোসেন ও ইথান ব্রুক (৩২)। আফিফকে (৪৬) ফিরিয়ে ৬৬ রানের এই জুটি ভাঙেন মুস্তাফিজ। পরের ব্যাটারদের আর কেউ তেমন কিছু করতে না পারায় দেড়শর আগে থামে সিলেট।
তিনটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজ ও ফাহিম।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। দলীয় ২১ রানে ডাভিড মালানকে (১৯) হারানোর পর প্রথম ৬ ওভারে ৩১ রান তুলতে পারে তারা। ধুঁকতে থাকা তাওহিদ হৃদয়কে (৬) বোল্ড করেন নাসুম আহমেদ। দুটি জীবন পাওয়া লিটন (৩৫) সাজঘরে ফেরেন ১৩তম ওভারের শেষ বলে।
এরপর ক্রিজে আসেন মাহমুদউল্লাহ। জয়ের জন্য তখন রংপুরের দরকার ছিল ৭ ওভারে ৬৭ রান, হাতে ছিল ৭ উইকেট। এক ওভার পর কাইল মায়ার্সের (৩১) বিদায়ের পর ঝড়ের শুরুটা করেন মাহমুদউল্লাহ। মিরাজের করা ১৬তম ওভারে ৩ চার ও এক ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এই ব্যাটার।
শেষ পর্যন্ত খুশদিল শাহকে (১৯) নিয়ে ২৪ বলে ৫০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে রংপুরকে জয় এনে দেন মাহমুদউল্লাহ।
[বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সংযোজন করা হয়েছে।]















মন্তব্য করুন: