নিলামে প্রথম ডাকে দল না পাওয়ায় হতবাক হয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ
৩ জানুয়ারি ২০২৬
এবারের বিপিএলের নিলামে প্রথম ডাকে কোনো দল পাননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পরে অবশ্য তাকে দলে নেয় রংপুর রাইডার্স। ঝড়ো ইনিংসে শুক্রবার দলকে জেতানোর পর অভিজ্ঞ এই ক্রিকটার জানিয়েছেন, নিলামে শুরুতে দল না পেয়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
বিপিএলের সবশেষ দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মাহমুদউল্লাহ এবারের নিলামে ছিলেন ‘এ’ ক্যাটাগরিতে, যার ভিত্তি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু তার নাম যখন ওঠে, তাকে দলে নিতে আগ্রহ দেয়ানি কোনো দল।
নিলামের নিয়ম অনুযায়ী, সব ক্যাটাগরির নিলাম শেষে প্রথম ডাকে দল না পাওয়া ক্রিকেটারদের এক ক্যাটাগরি নিচে নামিয়ে আবার নিলামের তোলার কথা। তবে রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী ও বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের অনুরোধে, মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা আর হয়নি।
পরে ভিত্তি মূল্যে মাহমুদউল্লাহকে রংপুর এবং মুশফিককে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স দলে নেয়।
আসরে নিজের তৃতীয় ম্যাচে শুক্রবার সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৬ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন মাহমুদউল্লাহ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিলামে দল না পাওয়ার প্রসঙ্গে ৪০ বছর ছুঁইছুঁই এই ক্রিকেটার বলেন, “হ্যাঁ, আমি দেখছিলাম (নিলাম) এবং আমি খুবই হতবাক হয়েছিলাম। কারণ, আমি মনে করি, গত দুই বছর, এমনকি তিন বছরের পারফরম্যান্স গ্রাফ যদি দেখেন, জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটারও আমার পরিসংখ্যানের কাছাকাছি ছিল না… স্ট্রাইক রেট, গড়, রান, সবকিছু মিলিয়ে। তো… ঠিক আছে, এটা ব্যাপার না।”
আগের তিনটি আসরেই মাহমুদউল্লাহ খেলেন বরিশালের হয়ে। গত আসরে ৩৪ দশমিক ৩৩ গড় ও ১৪৩ দশমিক ০৫ স্ট্রাইক রেটে রান করেন ২০৬। তার আগের মৌসুমে ২৯ দশমিক ৬২ গড়ে ২৩৭ রান করেন ১৩৪ দশমিক ৬৫ স্ট্রাইক রেটে। আর ২০২৩ সালের আসরে ২০ দশমিক ৮০ গড় ও ১৩৭ দশমিক ৭৪ স্ট্রাইক রেটে করেন ২০৮ রান।
আগামী বিপিএলে খেলবেন কি না – এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আজকে জানুয়ারির ২ তারিখ, বিপিএলের ফাইনাল ২৩ জানুয়ারি। এরপর ১০-১১ মাস সময় আছে ভাবার জন্য। এরপর আমি দেখব। ১০-১১ মাস আছে তো, ভাবার সময় অনেক আছে।”















মন্তব্য করুন: