রোমাঞ্চকর ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল চট্টগ্রাম
৯ জানুয়ারি ২০২৬
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শেষ ওভারে ১০ রান দরকার ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসের। হাসান নাওয়াজের দৃঢ়তায় পা না হড়কিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ২ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থান অক্ষু্ন্ন রেখেছে বন্দরনগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ৯ উইকেটে ১২৮ রান তুলতে পারে রাজশাহী। জবাবে শেষ বলে ২ রান নিয়ে চট্টগ্রামকে লক্ষ্যে নিয়ে যান নাওয়াজ।
৭ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে শেখ মাহেদি হাসানের দল। ৮ ম্যাচে ৪ জয়ে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে নাজমুল হোসেন শান্তর রাজশাহী।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রাজশাহীর কোনো ব্যাটার বিশের ঘরেরও দেখা পাননি। কয়েকজন শুরু পেলেও ব্যর্থ হন ইনিংস বড় করতে। চতুর্থ ওভারে মুহাম্মদ ওয়াসিমকে (১৯) তুলে নিয়ে ইনিংস সর্বোচ্চ ২১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানভীর ইসলাম। এক ওভার পর নাওয়াজের শিকার হয়ে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত (৬)। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ফেরেন ১২ বলে ৫ রান করে।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোর পাশাপাশি বড় কোনো জুটি না হওয়ায় লড়াকু সংগ্রহ গড়তে পারেনি রাজশাহী। ৩ উইকেট নেন পাকিস্তানি পেসার আমের জামাল, দুটি করে শিকার ধরেন শরিফুল ইসলাম ও তানভীর।
লক্ষ্য তাড়ায় ক্ষণেক্ষণে রং বদলায় চট্টগ্রাম ইনিংসের। ২৪ রানের উদ্বোধনী জুটির পর ৪ রানে ৪ উইকেট হারায় তারা। পঞ্চম উইকেটে নাওয়াজ ও অধিনায়ক মাহেদির ৪০ রানের জুটিতে শুরুর বিপর্যয় সামাল দেয় দলটি।
মাহেদির (২৮) বিদায়ে এই জুটি ভাঙার পর নাওয়াজ ও আসিফ আলীর ব্যাটে একটা সময় মনে হচ্ছিল সহজেই জয় পাবে চট্টগ্রাম। কিন্তু পরপর ৩ ওভারে ১৬ রানের ৩ উইকেট হারিয়ে দারুণ চাপে পড়ে দলটি।
এসএম মেহেরবের করা শেষ ওভারের প্রথম তিন বলে ৮ রান নেন নাওয়াজ। কিন্তু পরের দুটি বলে ডানহাতি এই ব্যাটার কোনো রান নিতে ব্যর্থ হওয়ায় শেষ বলে চট্টগ্রামের দরকার পরে ২ রানের। দৌড়ে ২ রান নিয়ে দলকে জেতান নাওয়াজ। ব্যাট হাতে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকার পাশাপাশি বল হাতে ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার।















মন্তব্য করুন: