অনভিজ্ঞ অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের
২৯ জানুয়ারি ২০২৬
নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার একাদশে ছিলেন না মূল দলের অনেক ক্রিকেটার। অভিষেক হয়েছে তিনজনের। এমন অনভিজ্ঞ দল নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ২২ রানে হেরে গেছে তারা।
বৃহস্পতিবার লাহোরে সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৬৮ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ৮ উইকেটে ১৪৬ রানে থামে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।
মার্শের অনুপস্থিতিতে ট্র্যাভিস হেডের নেতৃত্বে মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে মাঠে নামেন দুই পেসার জ্যাক এডওয়ার্ডস ও মাহলি বিয়ার্ডম্যান। এছাড়া টি-টুয়েন্টিতে অভিষেক হয় ব্যাটার ম্যাট রেনশর।
ম্যাচের প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফিরতি ক্যাচে ফেরান জেভিয়ার বার্টলেট। তবে সাইম আইয়ুব ও সালমান আলী আগার জুটিতে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে পাকিস্তান। সাইমকে (৪০) তুলে নিয়ে ৪৫ বলে ৭৪ রানের এই জুটি ভাঙেন অ্যাডাম জ্যাম্পা। এরপর সালমান (৩৯) ও বাবর আজমকেও (২৪) ফেরান এই লেগ স্পিনার।
১২৩ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর আর দ্রুত রান তুলতে পারেননি বাকিরা। পরের ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৮ রান করে উসমান খান।
২৪ রানে ৪ উইকেট নেন জ্যাম্পা। বার্টলেট ও অভিষিক্ত বিয়ার্ডম্যানের শিকার দুটি করে উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন হেড। কিন্তু সাইমের ঘূর্ণিতে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। দ্বিতীয় ওভারে ম্যাথিউ শর্টকে (৫) বোল্ড করে ২১ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরের ওভারে হেডকেও (২৩) তুলে নেন এই অফ স্পিনার।
২৮ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে ক্যামেরন গ্রিন ও রেনশ জুটি চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু সতীর্থের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রেনশ (১৫) রান আউটে কাটা পড়লে ভাঙে ৪০ রানে জুটি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে অস্ট্রেলিয়া।
১১২ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর ৯ নম্বরে নামা বার্টলেটের ২৫ বলে অপরাজিত ৩৪ রানে পরাজয়ের ব্যবধান কমে সফরকারীদের। ইনিংস সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন গ্রিন।
দুটি করে উইকেট নেন সাইম ও আবরার আহমেদ।
শনিবার একই মাঠে দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।















মন্তব্য করুন: