ভারতের রেকর্ড জয়রথ থামাল দক্ষিণ আফ্রিকা
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শুরুর বিপর্যয়ের পর ডেভিড মিলারের ফিফটি ও শেষ দিকে ট্রিস্ট্যান স্টাবসের ঝড়ো ইনিংসে লড়াকু সংগ্রহ গড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে লক্ষ্য তাড়ায় তেমন কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি ভারত। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের রেকর্ড জয়রথ থামিয়ে দিয়েছে ৭৬ রানের জয়ে সুপার এইট অভিযান শুরু করেছে প্রোটিয়ারা।
রোববার আহমেদাবাদে গ্রুপ একের প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ৭ বল আগে ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা ১২ জয়ের পর পরাজয়ের মুখ দেখল ভারত। গত আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে এই জয়রথ শুরু করেছিল তারা। সেই আসরের শিরোপা জিতেছিল এই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েই।
বড় জয়ে ৩.৮০০ নেট রানরেট নিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে বেশ এগিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকা। অন্যদিকে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে বড় ধাক্কা খেল সূর্যকুমার যাদবের দল। তাদের নেট রানরেট -৩.৮০০।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে যশপ্রীত বুমরাহর পেস তোপে ২০ রানের ভেতর তিন টপ-অর্ডারকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। পাল্টা আক্রমণে চতুর্থ উইকেট জুটিতে সেই বিপর্যয় সামাল দেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ও মিলার। ৪৫ রান করা ব্রেভিসকে ফিরিয়ে ৯৭ রানের এই জুটি ভাঙেন শিভম দুবে।
২৬ বলে ফিফটি হাঁকানো মিলার ফেরেন ৬৩ রান করে। বাঁহাতি এই ব্যাটার তার ৩৫ বলের ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া ইনিংসটি সাজান ৭ চার ও ৩ ছক্কায়। এরপর ২৪ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে লড়াই করার মতো যথেষ্ট সংগ্রহ এনে দেন স্টাবস। এই তিন ব্যাটার ছাড়া প্রোটিয়াদের আর কেউই দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।
১৫ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরাহ।
লক্ষ্য তাড়ায় রানের খাতা খোলার আগেই চতুর্থ বলে মারক্রামের শিকার হয়ে ফেরেন ঈশান কিশান। পরের ওভারে তিলক ভার্মাকে তুলে নেন মার্কো ইয়েনসেন। টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো রানের দেখা পাওয়া অভিষেক শর্মাকেও (১৫) ফেরান বাঁহাতি এই পেসার।
পাওয়ারপ্লে শেষে উইকেট শিকারে যোগ দিয়ে পরপর দুই ওভারে ওয়াশিংটন সুন্দর (১১) ও অধিনায়ক সূর্যকুমারকে (১৮) তুলে নিয়ে ভারতের জয়ের পথ প্রায় বন্ধ করে দেন কর্বিন বোশ।
৫১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন দুবে। কিন্তু প্রোটিয়াদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তারা দ্রুত রান তুলতে পারেননি। ১৫তম ওভারে ৩টি উইকেট তুলে নিয়ে স্বাগতিকদের জয়ের আশা শেষ করে দেন কেশব মহারাজ।
একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করে ফেরেন দুবে। পরের বলে বুমরাহকে তুলে নিয়ে ভারতের ইনিংস গুটিয়ে দেন ইয়েনসেন। বাঁহাত এই পেসার ২২ রানে ৪ উইকেট নেন।















মন্তব্য করুন: