অস্ট্রেলিয়ায় ১১৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ ‘এ’
২৮ আগস্ট ২০২৫

ফাইল ছবি
অস্ট্রেলিয়া সফরে ফরম্যাট বদলালেও ব্যাটিং ব্যর্থতা থেকে যেন কোনোভাবেই বের হতে পারছে না বাংলাদেশ ‘এ’ দল। বিভিন্ন সময় জাতীয় দলের জার্সিতে টেস্ট খেলা ছয় ক্রিকেটারকে নিয়ে মাঠে নেমেও ৩৫ ওভারও ব্যাটিং করতে পারেনি তারা। শেষ উইকেটের জুটিতে একশর ঘর পার করে সফরকারীরা।
বৃহস্পতিবার ডারউইনে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একমাত্র চার দিনের ম্যাচের প্রথম দিনে ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন এগারো নম্বর ব্যাটার আনামুল হক।
জবাবে ৫ উইকেটে ২০৪ রানে দিনের খেলা শেষ করেছে সাউথ অস্ট্রেলিয়া। এগিয়ে আছে ৯০ রানে।
ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে আছেন ১৮ টেস্ট খেলা মাহমুদুল হাসান জয়। ডানহাতি এই ওপেনার কিছুদিন আগেও ছিলেন টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য। ইয়াসির আলী রাব্বী ও শাহাদাত হোসেন দিপু খেলেছেন ৬টি করে টেস্ট। সাদা পোশাকে জাতীয় দলকে এক ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। আরও আছেন সবশেষ শ্রীলঙ্কা সফরে খেলা স্পিনার নাঈম হাসান ও টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য পেসার হাসান মাহমুদ।
একাদশে থাকা এই ছয় জনের মধ্যে পরের দু’জনের মূল দায়িত্ব বোলিং। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ ছিলেন বাকিরা। তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন দিপু। ওপেনার জয় ফেরেন ১৩ রান করে। মাহিদুল ৯ ও ইয়াসির ১ রান করে আউট হন।
হাসানের বিদায়ে ৬৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশর আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। তবে রকিবুল হাসান ও আনামুল শেষ উইকেটে ৪৮ রান যোগ করে দলকে লজ্জার হাত থেকে বাঁচান। ২২ রান করে রকিবুল ফিরলে ৩৪ ওভার ৫ বলে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ইনিংস সেরা সর্বোচ্চ ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন আনামুল।
ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বল হাতে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ৪৭ রানের ভেতর প্রতিপক্ষের চার উইকেট তুলে নেন বোলাররা। তবে পঞ্চম উইকেটে জ্যাসন স্যাঙ্গা ও জেইক ফ্রেজার-ম্যাগার্কের ৯৬ রানের জুটিতে সেই ধাক্কা সামাল দেয় সাউথ অস্ট্রেলিয়া। ৫২ রান করা ফ্রেজার-ম্যাগার্ককে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাঈম।
একটি করে উইকেট নেন হাসান, নাঈম, আনামুল, মুশফিক হাসান ও হাসান মুরাদ।
মন্তব্য করুন: